সিন্ডিকেট সূত্র জানায়, ফেসবুকে ছদ্মনাম ব্যবহার করে একটি আইডি খুলে তা থেকে সহপাঠী ও সিনিয়রসহ একাধিক ছাত্রীকে অশালীন মেসেজ ও ছবি পাঠাতো শিশির। বিভাগের শিক্ষার্থীরা খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হন ওই আইডি শিশির চালায়। গত ২৫ মার্চ শিক্ষার্থীরা বিভাগের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়। বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভায় বিষয়টি আলোচনা শেষে ২৭ মার্চ বিভাগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন নিরোধ কমিটির কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বসম্মতিক্রমে আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি।’
এর আগে ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে গত ২০ মার্চ নগরীর মালোপাড়া থানা পুলিশ শিশিরকে আটক করে। শিক্ষার্থীরা পুলিশের কাছে কোনও মামলা না করায় পরদিন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।