বিক্ষুদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারীরা জানান, কলেজ পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ চলে আসছিল। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম কলেজের এডহক কমিটি তার মনোনীত ব্যক্তিদের দিয়ে করার পরামর্শ দেন। কিন্তু কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ খান তার মনোনীত ব্যক্তিদের দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করে আনেন। এই কমিটি অনুমোদনের পর কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ খানের ওপর অসন্তুষ্ট হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। মন্ত্রী কমিটি অনুমোদনের পরপরই কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইদ্রিস আলী বিশ্বাসকে সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। একইসঙ্গে আসন্ন ঈদুল ফিতরের বোনাসও বন্ধ রয়েছে।
বিক্ষুদ্ধ শিক্ষকরা বলেন, এই জুন মাসে বেতন-বিলে স্বাক্ষর না হলে তিন মাসের বেতন ফেরত চলে যাবে।
এ ব্যাপারে শিক্ষক প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা জালাল বলেন, ‘বেতন-বোনাসের জন্য বারবার অধ্যক্ষকে চাপ দেওয়া হলেও অধ্যক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার ব্যাপারে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি। এ বিষয়ে সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দেব, দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করছেন।
শিক্ষক-কর্মচারীরা জানান, ঈদের আগে বেতন-বোনাস না পাওয়া গেলে আরও কঠিন কর্মসূচিতে যাবেন তারা।
কলেজের ভারপাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ খানের মোবাইলফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কোনও কথা বলতে রাজি নন বলে ফোন কেটে দেন।
কলেজের সভাপতি ইদ্রিস আলী বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও কল রিসিভ করেননি।