সরেজমিনে দেখা যায়,কালিবাড়িতে ইতোমধ্যেই প্রতিমা গঠনের কাজ প্রায় শেষ করা হয়েছে। রঙের কাজ শেষ করে প্রতিমাগুলোতে প্রয়োজনীয় অলংকার পড়ানো হবে।
মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি তপন কুমার ভট্টাচার্য জানান, দেশের বিভিন্ন জেলার বাইরেও এমনকি ভারতের আসাম,মালদহ,কলকাতা,ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করার জন্য এখানে প্রতি বছরই পাঁঠা বলি দিতে আসেন। তারা আশা করছেন এবারের তিন দিনের মেলা উপলক্ষে এখানে লক্ষাধিক লোকের সমাগম হবে। মেলা, পূজা ও পাঁঠাবলি নির্বিঘ্ন করতে ইতোমধ্যেই ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি ও ৫০ সদস্য বিশিষ্ট স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।