সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. মো. গোলাম রাব্বানী জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ২৭ আগস্ট এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু স্থানীয় সাংসদ আব্দুল ওদুদ টাউনক্লাব মিলনায়তন কর্তৃপক্ষকে হুমকি দেন যে, এখানে অনুষ্ঠান হলে ভাঙচুরের সম্ভাবনা আছে। এ অবস্থায় টাউনক্লাব কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠান করতে মিলনায়তন না দেওয়ায় অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হন তিনি।
টাউনক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম জাকারিয়া জানান, এমপি আব্দুল ওদুদ ২৫ আগস্ট দিবাগত রাতে নিজেই ফোন করে অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা জানান। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের দু’টি গ্রুপের ভাঙচুরের আশংকা রয়েছে। এটি জানার পর আয়োজক কর্তৃপক্ষ ডা. গোলাম রাব্বানীকে জানায় এবং মিলনায়তন বুকিং দেওয়া থাকলেও তা বাতিলের কথা বলা হয়।
তবে সাংসদ আব্দুল ওদুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি শুনেছি থানা ও পৌর আওয়ামী লীগ এ অনুষ্ঠান সর্ম্পকে আপত্তি তুলেছেন। কারণ গোলাম রাব্বানী এই দুই কমিটির কোনও পদে অধিষ্ঠিত নয়। সেহেতেু সে এ ধরনের অনুষ্ঠান থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের অনুমোদন ব্যতিত আয়োজন করতে পারে না।’
আয়োজক গোলাম রাব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এমপির পক্ষ থেকে কেন বাধা দেওয়া হয়েছে তা আমার জানা নেই। তবে তার সঙ্গে আমার কোনও বিরোধ নেই । আর এ অনুষ্ঠান আমি কোনও দলীয় ব্যানারে করিনি। আমি স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এ ধরনের অনুষ্ঠান করতেই পারি।’