তিনি জানান, সুবর্ণাকে হত্যার পর মামলার ৩ নম্বর আসামি মিলন পলাতক ছিল। এক নম্বর আসামি সুবর্ণার সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনকে গ্রেফতারের পর মিলন পালিয়ে খুলনা যায়। সেখান থেকে মোংলায় তার এক বন্ধুর বাড়িতে কিছুদিন অবস্থান করে। পরবর্তীতে মোংলা থেকে পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় তার নিকট আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে মিলনকে গ্রেফতার করেন র্যাব-১২ সদস্যরা। এরপর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে তার কাছ থেকে হত্যা সংশ্লিষ্ট কোনও ক্লু পাওয়া গেছে কিনা তা জানায়নি র্যাব।
মিলন সুবর্ণার সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনর মালিকানাধীন ইড্রাল ফার্মার (ইউনানী) অফিস সহকারী পদে কাজ করতো।
২৮ আগস্ট রাতে বাসায় ঢোকার মুহূর্তে আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি সুবর্ণাকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সুবর্ণার মা মর্জিনা বেগম বাদী হয় নদীর সাবেক স্বামী-শ্বশুরসহ তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে এ ঘটনায় আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এখনও গ্রেফতার হয়নি সুবর্ণার সাবেক স্বামী রাজীব হোসেন।