সাংবাদিক সুবর্না আক্তার নদী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি শামসুজ্জামান মিলনকে (৪২) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সুবর্না নদী মৃত্যুর আগে তার মাকে জানান, তার সাবেক স্বামী রাজিব এবং মিলনসহ কয়েকজন মিলে তাকে কুপিয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে ২৯ আগস্ট নিহত নদীর মা মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে নদীর সাবেক শ্বশুর-স্বামী ও মিলনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪-৫ জনকে আসামি করে পাবনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার আসামি মিলনকে পাবনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিমের আদালতে উপস্থিত করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলনের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আদালত রিমান্ড শুনানির দিন পরে ধার্য করা হবে উল্লেখ করে মিলনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার আরমানিটোলা এলাকার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে মিলনকে গ্রেফতার করে র্যাব-১২-এর সদস্যরা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট রাতে পাবনা শহরের রাধানগর মহল্লায় বাসার গেটের সামনে আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি নদীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে নদীর সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনদিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এখনও মামলার অন্যতম আসামি ও নদীর সাবেক স্বামী রাজিব গ্রেফতার হয়নি।