জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ইন্সপেক্টর আব্দুল জলিল। তিনি জানান, অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে খাস কামরায় বাদীকে আলাদা ডেকে তার কথাও শোনেন।
ডা. তুহিনুর রহমান সিরাজগঞ্জ নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘গত শুক্রবার ওই নেপালি ছাত্রীকে মোবাইলফোনে শহরের দরগাপট্টি মহল্লায় মেডিনোভা হাসপাতালে ডেকে নেন ডা. তুহিনুর রহমান। কলেজে পড়ানোর পাশাপাশি মেডিনোভা হাসপাতালে খণ্ডকালীন প্রাইভেট প্রাকটিস করেন ডা. তুহিন। হাসপাতালে যাওয়ার পর দুজনের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের উদ্দেশ্যে মারধর ও ধস্তাধস্তি করেন তুহিন। এক পর্যায়ে মেয়েটির মোবাইল কেড়ে নিয়ে তার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে ওই ছাত্রী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। মেমোরি কার্ডটি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।’
ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম আরও জানান, ঘটনার পর সিরাজগঞ্জ নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজে সরেজমিনে প্রাথমিক তদন্তে গেলে অনেক শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। তুহিন বিবাহিত। তিনি নাটোর জেলার লালপুর থানার দুরদরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।
উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী ছাত্রী সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকালে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ রাতে ডা. তুহিনকে আটক করে। রাতে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই ছাত্রীর বাড়ি নেপালে। তিনি সিরাজগঞ্জ নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজে চতুর্থ বর্ষে পড়েন।
আরও খবর: বিদেশি ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে প্রভাষক কারাগারে