সরেজমিনে সদর উপজেলার ভাটোদাঁড়া কালী মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ প্রতিমায় রঙয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে চুল সেট করা, নাক ইত্যাদি রং করা এবং শাড়ি পড়ানোর কাজ। প্রতিমা শিল্পী সুজন কর্মকার জানান, সর্বমোট তিনি ২২ সেট প্রতিমা তৈরির অর্ডার পেয়েছিলেন। এর মধ্যে ভারতীয় আদলে দুই সেট এবং অন্য দেশি আদলে ২০ সেট প্রতিমা।
জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি চিত্তরঞ্জন সাহা জানান, জেলায় এবারে ৩৭১ টি মণ্ডপে পূজার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই মণ্ডপে মণ্ডপে গঠন করা হয়েছে পূজা প্রস্তুতি কমিটি। এলাকা এবং জনসংখ্যার ওপর বিবেচনা করে ২১ থেকে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পর্যন্ত পূজা প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উমা চৌধুরী জলি জানান, ইতোমধ্যেই মণ্ডপ কমিটিগুলোর সঙ্গে মত বিনিময় করা হয়েছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনও সমস্যার কথা জানা যায়নি। জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের বরাদ্দ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে শীঘ্রই এসব বরাদ্দ মণ্ডপ কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দিঘাপতিয়া প্রসন্ন কালী এবং কৃষ্ণজিউ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার শীল জানান, পূজা উদযাপনের খরচ যোগাতে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। মণ্ডপের গেটসহ অন্যান্য কাজের প্রস্তুতি চলছে। তবে বরাদ্দ না পাওয়ায় পুরো কাজ শুরু করা যায়নি। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই পূজা উদযাপনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।