মেয়র লিটন বলেন, ‘আমার বাবা শহীদ কামারুজ্জামানসহ জাতীয় চারনেতাকে বঙ্গবন্ধু নিজ হাতে গড়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতাকে গড়েছিলেন বলেই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ মতো জাতীয় চারনেতা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার গুরু দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আমরা জাতীয় চারনেতার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। ঋণ পরিশোধ করতেও চাই না। আমরা যাতে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার আদর্শ অনুসরণ করে চলতে পারি। আমরা যেন তাদের সেই আদর্শ থেকে পথভ্রষ্ট না হই। আজকের দিনে এটিই আমার কামনা।’
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সাইদুর রহমান খান বলেন, ‘জাতীয় চারনেতার মধ্যে পার্থক্য বের করা কঠিন। কারণ তারা সবাই অসাধারণ-অতুলনীয়। বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত বিশ্বস্ত, ঘনিষ্ঠ ও ভালোবাসার পাত্র। তারা যে বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসার পাত্র ছিলেন, তা জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কখনও বৈঈমানি করেননি। কিন্তু ১৯৭১ যারা পরাজিত হয়েছিল, তারা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মুছে ফেলতে চেয়েছিল। খুনীদের সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সবার ভরসা হয়েছেন।বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তিনি। তবে আমাদের সেই অপশক্তির ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।’