নিহত আব্দুর রহিম শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ঝাড়ুটলা গ্রামের মুরশেদ আলীর ছেলে।
৫৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘নিহত রহিম একজন চোরাকারবারি। রবিবার সে ভারতে যায়। আজ সকালে আর্ন্তজাতিক সীমানা পিলার ১৭৮’র সাব পিলার ১ থেকে বাংলাদেশের প্রায় ৫শ’ গজ অভ্যন্তরে রহিমের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশ ও বিজিবিকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের সুখদেবপুর ক্যাম্পের ২৪ বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এ হত্যাকাণ্ড বিএসএফ ঘটিয়েছে না চোরাকারবারিদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
তবে পুলিশ বলছে এ হতাকাণ্ড বিএসএফের গুলিতেই হয়েছে। শিবগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) আতিকুল ইসলাম জানান, ‘নিহত রহিমের মাথায় রাবার বুলেটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এতে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি এ হত্যাকাণ্ড বিএসএফের গুলিতেই হয়েছে।’