বগুড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যানসহ জামায়াত-বিএনপির আট নেতাকর্মী গ্রেফতার

গ্রেফতার

বগুড়ার শেরপুর থেকে শুক্রবার দুপুরে পুলিশ জামায়াত নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান দবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে বিকালে সিরাজগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর হোটেল থেকে বিএনপির সাত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা সবাই ভোটের আগে, ভোটের দিন ও পরে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের দাবি করেছে।

তারা হলেন, শেরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি দবিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মাহবুবর রহমান হারেজ, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পিয়ার হোসেন, গাড়িদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দবির উদ্দিন, শেরপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জাহিদুর রহমান টুলু, কুসুম্বি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ফেরদৌস হোসেন, হাফিজুর রহমান ও আবদুর রহিম।

শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান দবিবুর রহমান জামায়াতের অন্যতম অর্থ জোগানদাতা। তিনি ভোটের আগে ও ভোটের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। গোপনে এমন খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে তাকে শেরপুরের হামছায়াপুর এলাকার বাড়ির কাছ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  

এছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মাহবুবর রহমান হারেজের নেতৃত্বে কয়েকজন বিএনপি নেতা শুক্রবার বিকালে সিরাজগঞ্জে বগুড়া-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের হোটেল ফুডভিলেজ-২-এ নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। গোপনে খবর পেয়ে সেখান থেকে হারেজসহ বিএনপির সাত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে গত ২৪ ডিসেম্বর শেরপুরের বটতলা এলাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাবিবুর রহমান এমপির নির্বাচনি প্রচারণায় হামলার মামলা রয়েছে। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের ১২ জন আহত হন।

ওসি আরও জানান, তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে। অন্যদিকে সদর থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে শহরের কলোনি এলাকা থেকে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম আর ইসলাম স্বাধীনকে গ্রেফতার করেছে।