সিরাজগঞ্জে ২৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন

সিরাজগঞ্জসিরাজগঞ্জে ৬টি আসনের ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জনই জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী একটি আসনে কোনও প্রার্থী যদি মোট ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ না পান তাহলে তিনি জামানত হারাবেন। এবার মনোনয়ন ফরমের সঙ্গে প্রত্যেক প্রার্থীকে সরকারি কোষাগারে ২০ হাজার টাকা করে জমা দিতে হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু নির্ধারিত ভোটের কম পাওয়ায় ২৫ জনের কেউই তাদের জামানতের এ টাকা ফেরত পাবেন না। জামানতের ৫ লাখ টাকা নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা রয়েছে।

জামানত হারানো ২৫ প্রার্থী হলেন: সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর)  আসনে কণ্ঠশিল্পি রোমেনা মোর্শেদ কনকচাঁপা (ঐক্যফ্রন্ট) ও আল-আমিন সিরাজী (ইসলামী আন্দোলন)।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ)  আসনে বেগম রুমানা মাহমুদ (ঐক্যফ্রন্ট), নব কুমার কর্মকার (বাসদ) এবং মহিবুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন)।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ)   আসনে আব্দুল মান্নান তালুকদার (ঐক্যফ্রন্ট), মোঃ আয়নুল হক (ইসলামী আন্দোলন),  আলমগীর হোসেন (জাকের পার্টি), আহসান হাবিব সুমন (সতন্ত্র),নুরুল ইসলাম (ন্যাপ) ও মোস্তফা নুরুল আমিন (সিপিবি)।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া)  আসনে জামায়াত কেন্দ্রীয় নেতা মওলানা রফিকুল ইসলাম খান (ঐক্যফ্রন্ট), আব্দুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন), মোঃ জহির রায়হান (জাকের পার্টি) ও মুকুল হোসেন (এনপিপি)। সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী)  আসনে আমিরুল ইসলাম খান আলিম (ঐক্যফ্রন্ট), আব্দুর নুর (সতন্ত্র), অধ্যক্ষ আলী আলম (সতন্ত্র), মোক্তার হোসেন (জাতীয় পার্টি) ও মোঃ লোকমান হোসেন (ইসলামী আন্দোলন)। সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর)  আসনে ডক্টর এম.এ. মুহিত (ঐক্যফ্রন্ট), মিসবাহ উদ্দিন (ইসলামী আন্দোলন), আব্দুল আলিম মাস্টার (সতন্ত্র), মোঃ মাসুদুর রহমান (সতন্ত্র) ও হবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)। 

জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ভোটের চেয়ে ভোট কম পাওয়ায় ২৫ জনের কেউই তাদের জামানতের টাকা ফেরত আর পাবেন না।