সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেট ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুব সংগঠন ‘ধ্রুবতারা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে সংসদীয় আদলে জাতীয় যুবনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্যোক্তা, সুশাসন, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। যেখানে সরকারি দল ও বিরোধী দলে বিভক্ত হয়ে তরুণরা পক্ষে বিপক্ষে তাদের যুক্তিসহ মত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষা সচিব ও এটুআই প্রকল্পের মহাপরিচালক নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।
ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘তরুণরাই আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই তরুণদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দীক্ষিত করে দেশের চলমান উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।’
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনের সমাপনি অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল বলেন, ‘যুবসমাজের মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে। এর মূল কারণ তারা সঠিক দিক নির্দেশনা পাচ্ছে না। সঠিক দিক নির্দেশনা পেতে হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে জানতে হবে। তবে মুক্তিযুদ্ধ বলতে কয়েকজন মানুষের সুযোগ-সুবিধা কিংবা একটি ভূখণ্ড দখল করা নয়, মুক্তিযুদ্ধের নিদিষ্ট কিছু লক্ষ্য রয়েছে। যেখানে সাম্য থাকবে, শান্তি থাকবে, ন্যায় বিচার থাকবে, সর্বোপরি সমাজে মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে। যেখানে কোনও সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না।’