শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম জানিয়েছেন, উপজেলার হাট-বাজার ও ফেরিঘাট ইজারার দরপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল বুধবার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরসহ আরও চারটি দফতরে রাখা ছিল টেন্ডার বাক্স। আগ্রহী ব্যক্তিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে রক্ষিত বাক্সে দরপত্র জমা দেওয়ার জন্য যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাধারণ ব্যবসায়ীরা দরপত্র জমা দিতে গেলে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাতে বাধা দেয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। পরে আগ্রহীরা সবাই দরপত্র দাখিল করেন।
শিবগঞ্জ থানার ওসি সিকদার মো. মশিউর রহমানের ভাষ্য, ‘কিছু লোকজন শিডিউল ফেলতে বাধা দেওয়ায় পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আগ্রহী সবাই শিডিউল ফেলতে পেরেছেন।’