সোমবার (১ জুলাই) সকালে নওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে কোনও শিক্ষার্থী নেই। চার শিক্ষক স্কুলের বারান্দায় বসে গল্প করছেন। এ প্রসঙ্গে শিক্ষকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
প্রধান শিক্ষক জুঁই আকতার জানান, চন্দনবাইশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন দুলাল তার স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। গত নভেম্বরে বিদ্যালয়ের নামে ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। সভাপতি তার কাছে ওই টাকা দাবি করেন। তবে তাকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি তাকে বদলি করার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন। সভাপতি বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাড়িতে নিয়ে গেছেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে নিষেধ করছেন। ফলে গত শনিবার থেকে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসছে না। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান তিনি।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান ও স্কুলের সভাপতি শাহাদত হোসেন দুলাল জানান, জজ কোর্টের কর্মচারীর স্ত্রী হওয়ায় প্রধান শিক্ষক সবাইকে তার ছাত্রছাত্রী মনে করেন। তিনি ম্যানেজিং কমিটির কাউকে তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামতো কাজ করছেন। তার বিরুদ্ধে শিক্ষা অফিসসহ কমপক্ষে পাঁচস্থানে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বদলির দাবিতে এলাকাবাসী গত ফেব্রুয়ারিতে ঝাড়ু মিছিল করেছেন বলেও জানান তিনি।
সারিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল আলম জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিত না থাকায় শিক্ষকরা ক্লাস নিতে পারছেন না। প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ করেছেন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।