সরেজমিন দেখা গেছে, শহরের মধ্যে দিয়ে দূরপাল্লার যানগুলো চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে যানবাহনগুলোকে চলাচলে সহায়তা করছেন।
রবিবার (১১ আগস্ট) বিকালে বনানী লিচুতলা এলাকায় দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়কের মুখে দায়িত্বপালনকারী বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, মহাসড়কের বগুড়ার চান্দাইকোনা থেকে রহবল পর্যন্ত ৬৫ কিলোমিটার অংশে কোনও যানজট নেই। শুধু তাই নয়, বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে বগুড়ার নন্দীগ্রাম পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার মহাসড়ক এবং চারমাথা থেকে সান্তাহার পর্যন্ত ৪২ কিলোমিটার সড়কেও কোনও যানজট নেই।
কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান চলাচল করায় বাস ও ট্রাক চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।
বগুড়ার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম রেজা জানান, ঈদের আগেও পরে সড়ক ও মহাসড়কে যানজট নিরসনে ২৪ ঘণ্টা কাজ চলছে। যানজট নিরসনে ২১টি মোটরসাইকেলে করে মোবাইল টিম কাজ করছে। রাতে সদরে ১০টি ও দিনে সদরে চারটি, শেরপুরে তিনটি, শাজাহানপুরে দুটি ও শিবগঞ্জে দুটি টিম কাজ করছে। সিরাজগঞ্জে যানজট থাকলেও গাড়িগুলো বগুড়ায় আসার পর নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাচ্ছে।