নাটোর সদর উপজেলায় আগুনে চার পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১টার দিকে উপজেলার নেপালদিঘী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে; যা পরে গ্রামবাসীর একঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে। ক্ষতিগ্রস্ত চার পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতঘরের সঙ্গে ফসল, গবাদি পশু ও নগদ টাকাও পুড়ে গেছে তাদের। আর ঘটনার পর থেকে তারা খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন। নাটোর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আখতার হামিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, মঙ্গলবার রাত সোয়া ১টার দিকে হুসেন আলীর ছেলে জহিরের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘরগুলোতে শুকনো পাট থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এসময় হুসেন আলী ও তার তিন সন্তান জহির, মহির ও জসিমের চারটি বাড়ির পাঁচটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ছাড়া, ঘরে থাকা প্রায় পাঁচ বিঘা জমির শুকনো পাট, নগদ ৭৫ হাজার টাকা, দুইটি ছাগলসহ চাল পুড়ে গেছে। এরপর থেকে তারা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।
নাটোর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আখতার হামিদ খান বলেন, ‘বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।’
নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আকতার বানু বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার ও আনুষঙ্গিক কিছু সহায়তা দেওয়া হয়েছে।’