সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনের জন্যই দেবী দুর্গার স্বর্গ থেকে আগমন ঘটে মর্ত্যলোকে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে দেবী দুর্গা শক্তি ও সুন্দরের প্রতীক। প্রতি বছর অসুরের বিনাশ করতে দেবী দুর্গা এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিভাষ চন্দ্র গোপাল বলেন, মা এবার ঘটকে চড়ে আসবেন, যাবেন ঘটকে চড়ে। ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এবারের দুর্গা উৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। কারণ ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার।
জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু ধর্মের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই)বিভিন্ন মণ্ডপের দায়িত্ব দিয়ে নিয়মিত টহল দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সবকটি পূজা মণ্ডপ গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকবে।
জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমরা প্রস্তুতি মূলক সভাসহ সব প্রস্তুতি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’