শিবগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুস্থ নারীদের হাতে লাঞ্ছিত

বগুড়াবগুড়ার শিবগঞ্জে টাকা নিয়ে মাটি কাটার কাজ না দেওয়ার অভিযোগ এনে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তারকে লাঞ্ছিত করেছেন কয়েকজন দুস্থ নারী। বুধবার (২ অক্টোবর) বিকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন।

ভুক্তভোগী কয়েকজন নারী ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার বিধবা ও বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দেওয়ার নামে দুস্থদের কাছ থেকে টাকা নেন। কিছু দিন আগে মাটি কাটার কাজ দেওয়ার কথা বলে মহাস্থান পাথরপট্টি এলাকার ১০ জন দুস্থ নারীর কাছ থেকে ৭-৮ হাজার টাকা করে নেন। পরে কাজ না পেয়ে ওই নারীরা ক্ষুব্ধ হন। বুধবার বেলা ৩টার দিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পরিষদে এলে নারীরা তাকে ঘেরাও করেন। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা ভাইস চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করেন।

তবে ফাহিমা আক্তার অভিযোগ করেন, ‘উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজুর ষড়যন্ত্রে কয়েকজন নারী আমাকে লাঞ্ছিত করেছেন। চেয়ারম্যান আমাকে কোনও সহযোগিতা করেন না। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের জন্য নারী উন্নয়ন ফোরামের বরাদ্দ তিন শতাংশ দেন না। কোথায় কোন কাজ হচ্ছে, তা জানানো হয় না। চেয়ারম্যান আমাকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন। আমি থানায় জিডিও করেছি।’

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজু এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ভাইস চেয়ারম্যান কাজ ও বিভিন্ন ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে দুস্থদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকেন। এসব কারণে তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন।’

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের জিডি নেওয়া হলেও পরে তিনি আর তদন্তে সহযোগিতা করেননি।