বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। তবে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলের কিছু ক্ষতি হয়েছে। এই পানি দ্রুতই নেমে যাবে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এখানে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। উপজেলার চরাঞ্চলের অনেক কৃষক শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। নদীর পানিতে সেগুলোর কিছু ক্ষতি হয়েছে। বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী এলাকার রোপা আমন, মাসকলাই, শাকসবজি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে নিচু এলাকার ৯০ হেক্টর জমির রোপা আমন ও ১৫ হেক্টর মাসকলাইয়ের ক্ষেতে পানি ঢুকেছে।