ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজার রহমান তুহিন জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভায় হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের আগ্রহে আপাতত মোহাম্মদ আলী হাসপাতালকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ডা. মোস্তাফিজার রহমান তুহিন আরও জানান, বগুড়ার অবস্থা এখনও অনেক ভালো। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কেউ নেই। তারপরও কেউ আক্রান্ত হলে তাদের চিকিৎসার জন্য মোহাম্মদ আলী ও ডায়াবেটিস হাসপাতাল আইসোলেশন ইউনিট করার আগ্রহ প্রকাশ করেন হুইপ। সরকারিভাবে এখনও কোনও নির্দেশনা না এলেও আপাতত মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল প্রস্তুত করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে বর্তমানে ৫২ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজের রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে আরও ২০ শয্যাকে আইসোলেশন করা হয়েছে। প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই শয্যা এবং জেলায় প্রায় ৩০০ ক্লিনিক-হাসপাতালে ৩-৪টি করে শয্যা রাখতে বলা হয়েছে।