এদিকে চলমান করোনার মধ্যে উজানের পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীপাড়ের মানুষ ফের বন্যা আতঙ্কে ভুগছেন। পূর্ববর্তী বছরগুলোতে বন্যা মোকাবিলার অভিজ্ঞতা থাকলেও চলমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেকটা অস্বস্তিতে তারা। আসন্ন কোরবানির ঈদের আগে গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকে।
পাউবোর পওর বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী একেএম. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় পানি মাত্র ৯ সেন্টিমিটার বাড়লেও দু’একদিন কমে ফের বাড়ার সম্ভবনা রয়েছে। করোনার মধ্যেও জেলার প্রায় ৮০ কিলোমিটার ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন ও তীর রক্ষা বাঁধের সুরক্ষায় কাজ করেছেন পাউবোর প্রকৌশলীরা। করোনার পাশপাশি বন্যা-ভাঙনেও দমেনি পাউবো। কিন্তু গত ক’দিনে ৫-৬ সহকর্মী আকস্মিক জ্বরে পড়ায় তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে করোনা ভয়।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, যমুনা পাড়ের মানুষ এমনিতেই করোনা সংকটে আছেন। বারবার পানি বৃদ্ধির কারণে যোগ হয়েছে নতুন অস্বস্তি। জেলায় দুই হাজার ৫৬০ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বিতরণ চলছে।
এদিকে, যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রচণ্ড ঘূর্ণাবর্তে যমুনার পশ্চিম তীরে কিছু স্থানে এখনও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সদর উপজেলার শিমলায় ধ্বসে বিলীন হওয়া পাউবোর সলিড স্পারের অদুরে প্রচণ্ড আঘাতে ভাঙন অব্যাহত আছে। অপরদিকে শাহজাদপুরের কৈজুরী ও এনায়েতপুরে থেমে থেমে ভাঙন থাকায় অসহায় হয়ে পড়েছেন এখানকার মানুষ।