বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারন চন্দ্র বর্মন জানান, শিক্ষার্থীরা ব্যানার ছাড়াই জড়ো হয়েছিল। তাদের কোনও আবেদনপত্রও ছিল না। আবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী নগর শাখার একই জায়গায় প্রোগ্রাম ছিল। তাই ঝামেলা এড়াতে শিক্ষার্থীদেরকে এখান থেকে সরে যেতে বলা হয়েছে। তাদের বাধা দেওয়া হয়নি। তারা আগামীকাল শনিবার সমাবেশ করবেন বলে চলে যান। আর আজকে (৯ অক্টোবর) নতুন কিছু শিক্ষার্থী এসেছিল। আগের কর্মসূচিতে তাদের দেখা যায়নি। তাই সাংঘর্ষিক ঘটনার চিন্তায় তাদেরকে অন্য এলাকায় সমাবেশ করতে বলা হয়েছিল।
জানা গেছে, নোয়াখালী, রাজশাহী, সিলেটসহ দেশব্যাপী সংগঠিত ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে মঙ্গলবার থেকে রাজশাহীতে মানববন্ধন, সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসব কর্মসূচিতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, রক্তবন্ধন, ইয়্যাস, সূর্যকিরণ বাংলাদেশ, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদসহ রাজশাহীর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন একাত্বতা জানিয়ে অংশ নিচ্ছে। শুক্রবার এ সকল সংগঠনের কর্মসূচি ছিল না। তারা শনিবার ও রবিবার আবারও কর্মসূচি পালন করবে। তবে এসব সংগঠনের বাইরে কিছু শিক্ষার্থী শুক্রবার সমাবেশ করার চেষ্টা করেও পারেনি।
এদিকে ধর্ষণ, হত্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী শাখা। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এই বিক্ষোভ করে সংগঠনটি।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী নগর শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম। এ সময় বক্তব্য দেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি তাজুল ইসলাম, ফয়সাল হোসেন মনি, তারিফ উদ্দীন, বোরহান উদ্দীন, মরসেদ আলম ছাত্র নেতা জহিরুল ইসলাম।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে বক্তরা বলেন, দেশে আজ যে ভাবে অপরাধ বেড়েছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। অপরাধীরা ধরা ছোয়ার বাইরে। ধর্ষক, হত্যাকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা থাকলে তারা অপরাধ করতে ভয় পেতো। আমরা চাই ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড।
অন্যদিকে, শুক্রবার বাদ জুমা সর্বস্তরের ইমাম ও ওলামা মাশায়েখ রাজশাহী মহানগরীর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।