তিনি বলেন, সিন্ডিকেট সভায় ৫ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আরেকজন জুমে যুক্ত ছিলেন। সভায় বাজেট অনুমোদন হয়েছে। সভায় নির্বাচিত কোনও শিক্ষক নির্বাচিত প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
প্রসঙ্গত, সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছয় সদস্যের মধ্যে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান, উপচার্য চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ পদাধিকার বলে সিন্ডিকেট সদস্য। এছাড়া অধ্যাপক রুস্তম আলী উপস্থিত ছিলেন সিনেট মনোনীত সদস্য হিসেবে। জুমে যুক্ত ছিলেন আচার্য মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক এম ওসমান গনি তালুকদার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বমোট সিন্ডিকেট সদস্য ১৮ জন। যেখানে শিক্ষকদের ভোটে নির্বাচিত হন ৬ জন। যার মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত সিন্ডিকেট সদস্য মনিরুল হক ও আব্দুল আল মামুনের পদোন্নতি হওয়া তারা বাদ পড়েছেন। ডিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক হুমায়ূন কবীরের মেয়াদ শেষ। এছাড়া প্রভাষক ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত সদস্য মাসিদুল হক শিক্ষা ছুটিতে আছেন। বর্তমানে সিন্ডিকেটে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি দু’জন। এর মধ্যে হল প্রাধ্যক্ষ ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক আব্দুল আলীম ও অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। তারা দুজনই বিএনপিপন্থী শিক্ষক।
এদিকে দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা সিন্ডিকেট বয়কট করা হয়েছে বলে বাংলা ট্রিউিনকে নিশ্চিত করেনে দলের একাধিক সদস্য। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপিপন্থী সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময় সিন্ডিকেটের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সদস্য সংখ্যায় কম হওয়া সেটি আমলে নেওয়া হয় না। তাই প্রতিবাদ স্বরূপ ও দলীয় সিদ্ধান্তে আমরা আজকে সিন্ডিকেট সভা বয়কট করেছি।’