ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাবনার সুজানগরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে রবিবার (৭ নভেম্বর) রাতে মানিকহাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন জন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
গুলিবিদ্ধরা হলেন বনকোলা গ্রামের মিলন খানের ছেলে মোতালেব (৩৭), আব্দুল মজিদের ছেলে সাগর (৩৫) ও মৃত আব্দুর রহমান খানের ছেলে ফজলু (৫৫)। আহত মোতালেবের অবস্থার অবনতি হলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্বাস আলী মল্লিক অভিযোগ করেন, রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে বনকোলা বাজারে এসে আমার সমর্থকদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় আমার নির্বাচনি প্রচারণা কেন্দ্রেও ভাঙচুর চালানো হয়। তারা আমার কর্মীদের কুপিয়ে ও গুলি করে আহত করে। নিশ্চিত পরাজয় জেনে নৌকার প্রার্থী আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিউল ইসলাম বলেন, আমার সমর্থকরা মিছিল করতে গেলে আনারস প্রতীকের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। তারা নৌকা প্রতীকের অফিস ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার বেশ কয়েকজন কর্মীকে আনারসের সমর্থকরা আহত করেছেন।
এ বিষয়ে সুজানগর থানার ওসি জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।