‘যুদ্ধের কারণে কিছু পণ্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে কিছু নিত্যপণ্যের দাম নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। রমজান মাস এলেই যেন আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। রমজান মাসে দাম থাকে সবচেয়ে বেশি। এবার আমরা বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাজই হলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।’

রবিবার (২০ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার কাঁকড়ামারী বাজারে রমজান উপলক্ষে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে বেশি লাভের জন্য ন্যায্য মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মূল্যে দ্রব্য বিক্রি করে। নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা আমাদের কাজ। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য এক কোটি পরিবারকে কার্ডের আওতায় টিসিবির মাধ্যমে পণ্য দেওয়া হচ্ছে।’

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস এরকমই। মাঝে মাঝে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হয়। আবার মানুষের তৈরি দুর্যোগও মোকাবিলা করতে হয়। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী দুই টাকা লাভের জায়গায় ১০ টাকা লাভ করতে পণ্য সংরক্ষণ করে রাখে, অনেকসময় পণ্যগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে সেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দেশেরও ক্ষতি হয়।’

তেলের দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তেলের দাম শুধু বাংলাদেশে বৃদ্ধি পেয়েছে তা নয়, পৃথিবীর সব দেশে প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে যেহেতু সব ধরনের পণ্য উৎপাদিত হয়, তাই পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু আমদানি নির্ভর চিনি, সয়াবিন, ডাল এ তিনটি পণ্যের দাম বাড়ায় দুই দফায় দুই কেজি করে এ পণ্যগুলো ভর্তুকি মূল্যে দেওয়া হচ্ছে।’