বাফার গোডাউন কর্তৃপক্ষ জানান,বাফারের এই গোডাউনটি যখন করা হয় সে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী করা হয়েছিল। বর্তমানে চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে গাইবান্ধায় সারের সরবরাহ আগের চেয়ে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে বাফার স্টকে সার সংরক্ষণের জন্য নতুন কোনও গোডাউন নির্মাণ করা হয়নি। ফলে গুদামে জায়গা না থাকায় সামনে খোলা আকাশের নিচে অতিরিক্ত সার মজুদ করে রাখা হয়েছে।
সূত্রটি আরো জানায়,বিগত ২০১৩-২০১৪ বছরের অতিরিক্ত প্রায় ১ হাজার মেট্রিক টন সার সংরক্ষণের অভাবে জমাট বেঁধে গেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই সব ক্ষতিগ্রস্ত ও পুরনো সার ডিলারদের সরবরাহ করা হয়। এর ফলে সার নিয়ে ডিলার এবং কৃষকরা পড়েন নানা বিপাকে। তারপরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার সংরক্ষণের জন্য নতুন গোডাউন নির্মাণ বা ভাড়া নেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে সারাদেশে ১৩টি বাফার গোডাউন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তার মধ্যে গাইবান্ধায় বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।
বাফার গোডাউন ইনচার্জ হায়দার আলী বলেন, বর্তমানে গাইবান্ধায় বিসিআইসি’র সারের বাফার স্টকে গোডাউনে’র ধারণ ক্ষমতা ২ হাজার মেট্রিক টন। আর জেলায় প্রতি মাসে সারের চাহিদা ৭ থেকে ১৩ হাজার মেট্রিক টন। গাইবান্ধায় বিসিআইসির অনুমোদিত ১শ’ ১১ জন সার ডিলার জেলার মোট চাহিদার শতকরা ৪০ শতাংশ গাইবান্ধার বাফার গোডাউন থেকে উত্তোলন করেন। বাকী ৬০ শতাংশ যমুনা সার কারখানা থেকে সরাসরি উত্তোলন করে থাকেন।
তিনি আরো জানান,কিন্তু চলতি জানুয়ারি মাসে যমুনা সার কারখানা থেকে সার সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোট চাহিদার পুরোটাই বাফার গোডাউন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। সংগত কারণেই অধিক পরিমাণ সার গোডাউনের বাইরে মজুদ করে রাখা হচ্ছে। গত ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত এই গোডাউনে নতুন পুরাতনসহ ৮ হাজার ৬৬.৬৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার রাখা হয়েছে।
/জেবি/এপিএইচ/