বগুড়ায় দুর্বৃত্তদের কুড়ালের আঘাতে আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবদুল বারী ওরফে চাঁন মিয়া মন্ডল (৪০) মারা গেছেন। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৫ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।
শহরের কলোনী চকফরিদ এলাকার মৃত তবেজ উদ্দিনের ছেলে চাঁন মিয়া। তিনি কয়েক বছর আগে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের পাঠাগার সম্পাদক ছিলেন।
সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা এ তথ্য দিয়ে জানান, স্ত্রী রুনা মাহমুদের দায়ের করা হামলার মামলা হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে। এজাহার নামীয় পাঁচজনসহ আট আসামির কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জমিজমার মালিকানা নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে চাঁন মিয়ার বিরোধ চলছিলো। গত ১ নভেম্বর সকালে আদালতে যাওয়ার জন্য ফাইলপত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। গাড়িতে ওঠার জন্য অপেক্ষার সময় মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত কুড়াল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্বজনরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে রাখেন।
সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা জানান, হামলার ঘটনায় আইনজীবী চাঁন মিয়ার স্ত্রী রুনা মাহমুদ পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে মোট আট জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জমিজমা নিয়ে বিরোধে তার ওপর হামলা করা হয়।
তিনি আরও জানান, চাঁন মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টায় মারা গেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ওই হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গত কয়েক দিনে অভিযান চালিয়েও আসামিদের কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। আগের হামলার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।