বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের ৩০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সজীব সাহাকে সভাপতি ও আল মাহিদুল ইসলাম জয়কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সোমবার (৭ নভেম্বর) রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয় ।
তবে পদবঞ্চিতরা রাতেই শহরের টেম্পল রোডের দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন এবং টায়ার জ্বালিয়ে স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানান। এ ছাড়া সহ-সভাপতি পদ পাওয়া মুকুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ১৭ জনকে সহ-সভাপতি, পাঁচ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ছয় জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
সহ-সভাপতিরা হলেন: তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, মিথিলেশ কুমার প্রসাদ, রাকিবুল হাসান শাওন, সাজ্জাদ আলম পারভেজ, নূর মোহাম্মদ সাগর, মুকুল ইসলাম, শেখ হৃদয়, আতিকুর রহমান আতিক, রায়হান কবীর, তোফায়েল আহমেদ তোহা, সিদ্ধার্থ কুমার দাস, শামিমা সুমি সাহা, জাহিদ হাসান, আল আমিন হোসেন পাপ্পু, অনুরাগী তিশা, সবুজ বিশ্বাস ও রাকিবুল হাসান।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা হলেন, মাহফুজার রহমান, রাকিবুল হাসান, মিনহাজুল ইসলাম সজল, আহসান গালিব প্লাবন ও আহসান হাবীব শুভ। এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পেয়েছেন আল নোমান সাব্বির, আল ইমরান হোসেন, নয়ন অধিকারী, বজলুর রহমান বাঁধন, রিয়াজ মাহমুদ রক্সি ও সুজন আকন্দ।
এ প্রসঙ্গে নতুন কমিটির সভাপতি সজীব সাহা জানান, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ না পেয়ে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদকসহ অন্যরা অভিমানে দলীয় কার্যালয়ে তালা দেন ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।
তিনি দাবি করেন, তাদের সঙ্গে সাবেক কমিটির তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না। শিগগিরই তারা অভিমান ভুলে যাবেন।
জেলা ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৭ মে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্র থেকে নাইমুর রাজ্জাক তিতাসকে সভাপতি ও অসীম কুমার রায়কে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর ১৫৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি রাতে কেন্দ্র থেকে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এর ১১ দিন পর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে অন্তত ৫০ নেতা আবেদন করেছিলেন।