রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানান, বগুড়া জেলার ৩০টি কেন্দ্রে ১০৮টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
কেন্দ্রগুলো হলো সরকারি আযিযুল হক কলেজ, সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, সরকারি শাহ সুলতান কলেজ, নিশিন্দারা ফকির উদ্দিন স্কুল ও কলেজ, বগুড়া কলেজ, জাহিদুর রহমান মহিলা কলেজ, জাহানারা কামরুজ্জামান কলেজ, দুপচাঁচিয়া মহিলা কলেজ, সারিয়াকান্দি ডিগ্রি কলেজ, সারিয়াকান্দি আব্দুল মান্নান মহিলা কলেজ, ধুনট ডিগ্রি কলেজ, ধুনট মহিলা কলেজ, সুখানপুকুর সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, গাবতলী সরকারি কলেজ, শিবগঞ্জ এমএইচ ডিগ্রি কলেজ, মহাস্থান মাহীসাওয়ার কলেজ, মোকামতলা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, শেরপুর ডিগ্রি কলেজ, শেরপুর টাউন ক্লাব বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন কলেজ, নন্দীগ্রাম মহিলা কলেজ, কাহালু ডিগ্রি কলেজ, কাহালু মহিলা কলেজ, সোনাতলা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ, সোনাতলা সরকারি নাজির আকতার কলেজ, সান্তাহার সরকারি ডিগ্রি কলেজ, আদমদীঘি রহিম উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, নসরতপুর ডিগ্রি কলেজ, বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কমর উদ্দিন টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ।
এছাড়াও রাজশাহী জেলার ১৭০টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ৩৬টি কেন্দ্রে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৯টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ১৫টি কেন্দ্রে, নাটোরের ৮৮টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ১৮টি কেন্দ্রে, নওগাঁর ৮১টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ২৫টি কেন্দ্রে, পাবনার ৯৮টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ২৫টি কেন্দ্রে, সিরাজগঞ্জের ১০৫টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ২৪টি কেন্দ্রে ও জয়পুরহাট জেলার ৩৬টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা ১২টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জাহিদুর রহিম জানান, ইতিমধ্যেই পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল কালাম আজাদ জানান, পরীক্ষার্থীকে প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বেশি পাবেন। এছাড়াও প্রতিবন্ধীদের খাতা আলাদা করে বোর্ডে প্রেরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
/বিটি/
আপ: এইচকে