রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি ও বাকশাল পতন স্মরণে একটি গরুর প্রতীকী নাম ‘বাকশাল’ দিয়ে ‘জুলাইয়ের জিয়াফত’ আয়োজন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় ৬০০ থেকে ৭৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।
আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য গরুর মাংসের ভোজের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়।
আয়োজনের বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি ও বাকশাল পতনের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটিকে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চাই। মুজিবের ভালো কাজকে ভালো এবং খারাপকে খারাপ বলতে শিখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ করেছে বলেই ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের সব কর্মকাণ্ড ক্ষমাযোগ্য হয়ে যাবে— বিষয়টি এমন নয়।”
তিনি বলেন, “আমরা ১৫ আগস্টকে স্বাভাবিক দিনের মতো দেখতে চাই। কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিশেষ আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে না গিয়ে বাকশাল পতনের একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে এই দিনটিকে স্মরণ করতে চাই।”
আয়োজনের অর্থায়ন প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “এটি ব্যক্তিগত আয়োজন নয়। দেশের বাইরে থাকা একজন ভাই জুলাইয়ের খুশিতে একটি গরু উপহার দিয়েছেন। সেটি দিয়েই এই আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ৬০০ থেকে ৭৪০ জন এতে অংশ নিয়েছেন। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি মিলনমেলার আয়োজন করতে চেয়েছি।”