হোটেল শ্রমিকদের অভিযোগ, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৮ ঘণ্টা (শ্রম ঘন্টা) কাজ করার সুযোগ দেওয়া ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রংপুর নগরীতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে রংপুর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন।
বুধবার (১৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্মবিরতির সমর্থনে মিছিল করার সময় নগরীর পুলিশ লাইন সংলগ্ন প্রিন্স হোটেলে গেলে সেখানে মালিক পক্ষের লোকজন হোটেল কর্মচারীদের ওপর চড়াও হয়। এ নিয়ে দুপক্ষের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মোকসেদ আলীসহ ৭ হোটেল শ্রমিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক অন্যান্য শ্রমিকরা হলেন- সংগঠনের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল চন্দ্র , ক্রীড়া সম্পাদক হামিদুল ইসলাম , শ্রমিক নেতা বাবলু মিয়া , শফিকুল ইসলাম , আমজাদ হোসেন ও মোবারক।
এদিকে হোটেল শ্রমিককে আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত হোটেল শ্রমিক কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করতে থাকে। তারা আটকদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত ঘেরাও অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দেয়। পরে সাড়ে ৩ ঘন্টা পর বেলা ১১টার দিকে তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। পরে মুক্তি পাওয়া হোটেল শ্রমিকদের নিয়ে নগরীতে বিক্ষোভ করেছে হোটেল শ্রমিকরা।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, তাদের আটক করা হয়নি। ৭ হোটেল শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, প্রিন্স হোটেল কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেছে এটা প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশ অন্যায়ভাবে ৭ শ্রমিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
/এআর/