তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকালে আদালতের বিচারক রাশেদা সুলতানা শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বিষয়টি পরবর্তীতে গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে জানান।
আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক ছানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সাঘাটা উপজেলার একটি ধর্ষণ মামলার মূল আসামি নজরুল ইসলাম। আসামির বড় ভাই মজনু মিয়া তার বদলে মোজাফফর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে নজরুল সাজিয়ে গত ১০ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। আদালতের বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাই ঘটনাটি যাতে ভিন্নখাতে প্রবাহিত না হয়, সেজন্য মূল আসামিকে গ্রেফতারের জন্য আদালতে আবেদন করেছি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সাঘাটা উপজেলার নলছিয়া গ্রামে এক শিশুকে (৮) একই গ্রামের নজরুল ইসলাম (৩৫) ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নজরুলকে একমাত্র আসামি করে ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন। এই ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে ২৯ মার্চ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর আদালত নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। তখন থেকে নজরুল পলাতক।
মামলার বাদী বলেন, ‘আমি নজরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করি। কিন্তু নজরুলের বড় ভাই মজনু মিয়া মামলা থেকে ভাইকে বাঁচানোর জন্য মোজাফফরকে ফাঁসিয়েছেন।’
এ বিষয়ে গাইবান্ধা কারাগারের জেলার আবু নূর মো. রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১০ এপ্রিল নজরুল নামে কারাগারে আসেন মোজাফফর। কারাগারে নেওয়ার সময় তিনি নাম পরিচয়ে নজরুল বলেছেন। তবে তিনি নজরুল নাকি মোজাফফর তা আদালত দেখবে।’
/বিএল/
এ সংক্রান্ত আগের খবর:
আসামি বাইরে, কারাগারে নিরপরাধ!