বুধবার (৯ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে সৈয়দ হকের সমাধীস্থল পরিদর্শন করে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘তিনি (সৈয়দ হক) আমাদের গর্বের ধন। তাকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা।’
পরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সৈয়দ হক স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সৈয়দ হক স্মৃতি কমপ্লেক্সের জন্য কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ ও গণপূর্ত বিভাগের এক একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রাণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ইব্রাহিম হোসেন খান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. ফেরদৌস খান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাফর আলী, কবি পত্নী আনোয়ারা সৈয়দ হক, কবি পুত্র দ্বিতীয় সৈয়দ হক, স্থপতি রবিউল হোসাইন প্রমুখ।
ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ শামসুল হক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। কবির শেষ ইচ্ছানুযায়ী পরদিন তার জন্মভুমি কুড়িগ্রামের সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে সমাধীস্থ করা হয়।
সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প তথা সাহিত্যের সব শাখায় পদচারণার মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন সব্যসাচী। ১৯৬৪ সালে মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান সৈয়দ শামসুল হক।
/এফএস/
আরও পড়ুন- সিরাজগঞ্জে সড়কের খানাখন্দ সংস্কারে গাফিলতি: প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের নির্দেশ সেতুমন্ত্রীর