তিন চিকিৎসক হলেন হাসপাতালের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. আবু বকর সিদ্দিক, ডা. সিদ্দিকুর রহমান ও ডা. এটিএম ইকবাল।
মামলার বিবরণে জানা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ক্রয়ে ৭৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫০ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৮ আগস্ট দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম। মামলায় দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইন ৫ (২) এর ৪০৯/১০৯ ধারা উল্লেখ করা হয়। ২০১৬ সালে ওই তিন চিকিৎসকসহ ঠিকাদার মকসেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
আদালতের ধার্য তারিখ সোমবার বিকালে তিন চিকিৎসক ও ঠিকাদার জামিনের আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিভিউ আবেদন করলে ঠিকাদার মকসেদুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকায় তার জামিন মঞ্জুর করে বাকিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন দুদকের পিপি অ্যাড. হাসান আলী।
আরও পড়ুন:
দুপচাঁচিয়ায় স্কুলছাত্রী আত্মহনন প্ররোচনা মামলা: ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার