রাশেক রহমান বলেন, ‘সোমবার রাতে আবারও বর্তমান মেয়র ঝন্টু পুলিশের সহায়তায় মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ও নিজের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ঝুলিয়ে এবং নগরীর বিনোদপুর এলাকায় মাইক লাগিয়ে নির্বাচনি জনসভা করেছেন। অথচ নির্বাচন কমিশন সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সব ধরনের সমাবেশ, মিছিল, জনসভা নিষিদ্ধ করেছেন। এরপরও কিভাবে এসব কর্মকাণ্ড চলছে?’ তিনি অবিলম্বে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। রাশেক রহমান আরও জানান, এ সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি তিনি রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেবেন।
এদিকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘দলের সুপ্রিম অথরিটি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই মেয়র পদে মনোনয়ন দেবেন।’ এক্ষেত্রে তাকে মনোনয়ন দেওয়া না হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণাকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন রাশেক রহমান। পরে বিকালে তার পক্ষে বর্তমান মেয়র ঝন্টুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ লেখা স্মারকলিপি রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সুভাষ চন্দ্র সরকারের কাছে দেওয়া হয়।
এদিকে রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি সরেজমিনে দেখার জন্য মঙ্গলবার বিকালের পর থেকে ছয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৬টি মোবাইল কোর্ট স্থাপন করা হয়েছে। তারা কাজ শুরু করেছেন। যে প্রার্থীই নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।