হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর এই সাত দিনে বন্দর দিয়ে ১৪১টি ট্রাকে এক হাজার ৫৬৫ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। আর গত নভেম্বর মাসে বন্দর দিয়ে ৩২১টি ট্রাকে তিন হাজার ৭০৭ টন,আর গত অক্টোবর মাসে ১৩৬টি ট্রাকে এক হাজার ৩০৪ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল।
রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সরেজমিন হিলি স্থলবন্দরের বিভিন্ন কাঁচামরিচ আমদানিকারকদের মোকাম ঘুরে দেখা গেছে,ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ প্রকারভেদে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দুদিন আগে এসব কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আর বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ খুচরাতে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগে এসব কাঁচামরিচ প্রকারভেদে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন ও কাঁচামরিচ ব্যবসায়ী রাশেদ আহম্মেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান,দেশের বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় বন্দরের সকল আমদানিকারক কাঁচামরিচ আমদানির দিকে ঝুঁকেছেন।এর ফলে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানির পরিমাণ বেড়ে গেছে। এছাড়াও সম্প্রতি দেশের সরিষাবাড়ি, জামালপুর,বগুড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কাঁচামরিচ উঠতে শুরু করেছে। এতে করে বাজারে দেশীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে।
তারা আরও জানান,বাজারে দেশীয় জাতের কাঁচামরিচের সরবরাহ বাড়লে কাঁচামরিচের দাম যেমন স্বাভাবিক থাকবে তেমনি ভারত থেকে কাঁচামরিচের আমদানি কমে আসবে।