বুধবার রাতে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিটার্নিং অফিসার বলেন, ‘নির্বাচনে ৩৩টি ওয়ার্ডের ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের ১১২২টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রিজাইডিং অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে অবস্থান করছেন। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি উৎসবমুখর পরিবেশে রংপুর সিটি করপোরেশনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন, এ নিয়ে আশঙ্কার কোনোই কারণ নেই।’
১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৬টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে কোনও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইনশঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন। নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এই নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, ‘নির্বাচনের প্রচারণা চলার সময় ন কোনও প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি।’ উদাহরণ হিসেবে সরকারি দলের প্রার্থীকেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
রিটার্নিং অফিসার জানান, নির্বাচনে পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নগরীতে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বহিরাগতদের নগরী ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার রংপুর নগরীর সব সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আধা সরকারি সংস্থা, সব অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাতাব উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।