হিলি স্থলবন্দরে কেজিতে ২ টাকা কমেছে চালের দাম

চাল আমদানি স্বাভাবিক থাকায় সপ্তাহের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরে চালের দাম কেজিতে কমেছে প্রকারভেদে দেড় থেকে ২ টাকা। আগামীতে চালের দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে, বলে জানিয়েছেন আমদানিকারক ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

হিলিতে চালের বাজারহিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বন্দর দিয়ে আগে ৯০ থেকে ১০০ ট্রাক চাল আমদানি হলেও বর্তমানে বন্দর দিয়ে ১২০ থেকে ১৩০ ট্রাক চাল আমদানি হচ্ছে। সে হিসেবে চলতি মাসের ১ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার ৬০টি ট্রাকে ৭২ হাজার ৪৪৯ টন, নভেম্বর মাসে ১ হাজার ৯৮৮টি ট্রাকে ৬৮ হাজার ১৮৬ টন, অক্টোবর মাসে ১ হাজার ৯৫৩টি ট্রাকে ৬৯ হাজার ৬ টন চাল আমদানি হয়েছে।

হিলি বাজারের পাইকারি চাল বিক্রেতা অনুপ কুমার বসাক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দেশে নতুন আমন ধান উঠলেও দাম বেশি হওয়ায় দেশীয় জাতের চালের দাম বেশি রয়েছে। তবে বন্দর দিয়ে চাল আমদানি অব্যাহত থাকায় চালের বাজার কমতির দিকে। দেশী নতুন জাতের স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ পূর্বে এই চাল ৪১ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আমদানিকৃত ভারতীয় স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকা কেজি দরে। আর রত্না জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৯ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহপূর্বে প্রকারভেদে এসব চাল ১ থেকে ২ টাকা কেজিতে বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছিল।

হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারক মামুন উর রশীদ ও রাজিব দত্ত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চলতি আমন মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধান ওঠার ফলে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত মিল/চাতালগুলোতে চাল উৎপাদন হওয়ায় দেশের বাজারে দেশীয় চালের সরবরাহ বেড়েছে। এছাড়া ভারতের বাজারেও এক সপ্তাহপূর্বে যে চালের দাম ছিল ৪৪০ থেকে ৪৪৫ ডলার সেই চালের দাম এখন এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৪৩০ থেকে ৪৩৫ ডলারের মধ্যে চলে এসেছে।’

তারা আরও বলেন, ‘এছাড়া এক সপ্তাহপূর্বে মোটা স্বর্ণা চাল বিক্রি হয়েছিল ৩৯ টাকা এবং রত্না জাতের চাল বিক্রি হয়েছিল প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৪১ টাকা। বর্তমানে মোটা স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা আর রত্না জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩৮ থেকে ৩৯ টাকা দরে। এতে করে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম প্রকারভেদে ১ থেকে ২ টাকা করে কমেছে।’