হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে পান

দেশের বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় ও বাজারে পানের দাম স্থিতিশীল রাখতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে দেশে পান আমদানি শুরু হয়েছে। তবে পান আমদানিতে ট্রাকের চাকা অনুয়ায়ী শুল্কায়নের (স্লাব) জটিলতা থাকায় আমদানিকারকরা পান আমদানি করে লোকসান গুনছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে পানহিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মার্চ মাসে বন্দর দিয়ে ১টি ট্রাকে ৪ টন পান আমদানি হয়েছে। আর গত ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর দিয়ে ৪টি ট্রাকে ১৭টন পান আমদানি হয়েছে। বাজারে দেশীয় পান বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ছোট সাইজের পান ৫০ টাকা আর বড় সাইজের পান বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০টাকা বিরা (৬৪টি পান) দরে। আর আমদানিকৃত পান বিক্রি হচ্ছে ৩৬ হাজার থেকে ৪৮ হাজার টাকা খাঁচি দরে। প্রতি খাঁচিতে ১৮০ থেকে ২১০ বিরা করে পান রয়েছে। এসব পান দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চলতি মৌসুমে প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশার কারণে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বরজের পান পচে নষ্ট হয়ে ও গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে পানের সরবরাহ কমে গেছে। এমন অবস্থায় দেশের বাজারে পানের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও পানের দাম সহনশীল পর্যায়ে রাখতে ভারত থেকে পান আমদানি করা হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব পান সরবরাহ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে বন্দর দিয়ে প্রতিটন পান প্রকারভেদে ২০০ থেকে আড়াইশ মার্কিন ডলার মূল্যে আমদানি করা হচ্ছে। আর কাস্টমসে প্রতি টন পান ৯০০ মার্কিন ডলার মূল্যে শুল্ক পরিশোধ করা হচ্ছে। এতে করে প্রতি কেজি পানে শুল্ক দিতে হচ্ছে সব মিলিয়ে ২৯ টাকা করে। বন্দরে পান আমদানির ক্ষেত্রে গাড়ির চাকা অনুযায়ী শুল্কায়নের পদ্ধতি চালু থাকার ফলে পান আমদানিতে লাভ হচ্ছে না। একটি ট্রাকে ৩ টন পান আমদানি করলেও স্লাব অনুযায়ী ৫ টনের শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে।’