স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ঝড়ো হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর শিলাবৃষ্টি থামলেও প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব চলে। ফলে উপজেলার রামখানা, সন্তোষপুর ও রায়গঞ্জ ইউনিয়নসহ কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয় এবং গাছপালা ভেঙে যায়। এসময় ঝড়ের কবলে পড়া এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
একই ইউনিয়নের শিয়ালকন্দা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান জানান, ঝড়ে তার দোকানের ঘরের চাল ছুটে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানিতে দোকানের সব মালামাল ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ওই বাজারের আরও কয়েকটি দোকান ঝড়ে ভেঙে গেছে বলে জানান হাবিবুর।
রায়গঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ অাল ওয়ালিদ বলেন, ‘রাত পর্যন্ত যতটুকু খবর পেয়েছি তাতে প্রায় ৭০-৮০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে যে ঝড় হয়েছে তাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। রাত পোহালে সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে।’
এদিকে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নেও কালবৈশাখী ঝড়ের খবর পাওয়া গেলেও শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।