সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাহালী পাড়া গ্রামের কৃষক এনতাজ আলী বলেন, ‘পাটের উৎপাদন খরচ বেশি, বীজ সংগ্রহে নানা জটিলতা এবং কোনও কোনও সময়ে খরা মৌসুমে পানির অভাবে পাট পঁচানো নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। এছাড়া অব্যাহত দরপতন তো আছেই। এজন্য পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে প্রান্তিক চাষিরা।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, গত অর্থবছরের পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে। অর্জিত হয়েছিল ৯ হাজার ১৬০ হেক্টর জমি। আর উৎপাদিত পাটের পরিমাণ ছিল ২০ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন। এবার জেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, ১০ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে। তবে চাষ করা হয় ৯ হাজার ১৫৯ হেক্টর জমিতে। আর পাট উৎপাদিত হয়েছে ২০ হাজার ৫৩১ মেট্রিক টন।
এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিগত বছরগুলোয় পাটের বাজারদর মন্দা থাকায় পাট চাষে চাষিদের আগ্রহ কমে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবেশবান্ধব পাটের মোড়ক ব্যবহার করায় এখন পাটের বাজার দর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করায় প্রান্তিক পর্যায়ে চাষিদের পাট চাষে আগ্রহ বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা পাটের গুণগত মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি পাটের বাজার মূল্যসহ সব রকমের সহযোগিতা সরকার করবে।