সন্ধ্যায় মন্ত্রী তার নিজ বাস ভবনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করেন। সেখানে ধনী-গরিবদের দাওয়াত খাওয়ান। পাশাপাশি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জেলার ডিমলা উপজেলায় প্রধান ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন, এলাকার সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, জলঢাকায় নামাজ আদায় করেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, সৈয়দপুর উপজেলায় নামাজ আদায় করেন, বিরোধী দলীয় হুইপ ও সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী।
সকাল সোয়া ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার মসুল্লি অংশ নেন এই ঈদের জামাতে। নীলফামারী বড় মসজিদের ভারপ্রাপ্ত খতিব হাফেজ মঞ্জুরুল ইসলাম এতে ইমামতি করেন। জেলার সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ডোমারের ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সবদিগঞ্জ ঈদগাহ মাঠে। এখানে প্রায় ১ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেখানে ইমামতি করেন ওই এলাকার মওলানা তছলিম উদ্দিন।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলা কারাগার, এতিমখানা, হাসপাতাল ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোয় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।