নীলফামারীতে ঈদের নামাজ আদায় করলেন আসাদুজ্জামান নূর

ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করছেন মন্ত্রীনীলফামারীতে যথাযোগ্য ভাবগাভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিতে হচ্ছে। জেলার ছয় উপজেলা ও চার পৌরসভা, ৬০টি ইউনিয়নের ৬২০টি ঈদের জামাত হয়েছে। বুধবার (২২ আগস্ট) জেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার সঙ্গে এক সারিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন সংস্কৃতিকমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। নামাজ শেষে তিনি  মুসল্লিদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।

সন্ধ্যায় মন্ত্রী তার নিজ বাস ভবনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করেন। সেখানে ধনী-গরিবদের দাওয়াত খাওয়ান। পাশাপাশি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করছেন মন্ত্রীপৌরমেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হকসহ এলাকার সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শুরুর আগে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী নূর। পুলিশ লাইন ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ বি আতিকুের রহমান।

জেলার ডিমলা উপজেলায় প্রধান ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন, এলাকার সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, জলঢাকায় নামাজ আদায় করেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, সৈয়দপুর উপজেলায় নামাজ আদায় করেন, বিরোধী দলীয় হুইপ ও সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী।

ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করছেন মন্ত্রীএবারে প্রতিটি ঈদগাহ মাঠে জেলা প্রশাসনের পক্ষে পুলিশ ও র‌্যাবের নজরদারী জোরদার রাখা হয়।

সকাল সোয়া ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার মসুল্লি অংশ নেন এই ঈদের জামাতে। নীলফামারী বড় মসজিদের ভারপ্রাপ্ত খতিব হাফেজ মঞ্জুরুল ইসলাম এতে ইমামতি করেন। জেলার সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ডোমারের ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সবদিগঞ্জ ঈদগাহ মাঠে। এখানে প্রায় ১ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেখানে ইমামতি করেন ওই এলাকার মওলানা তছলিম উদ্দিন।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলা কারাগার, এতিমখানা, হাসপাতাল ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোয় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।