নিহত নাছিমা আক্তার (২৫) শহরের নিশ্চিন্তপুর এলাকার মো. রুবেল ইসলামের স্ত্রী।
নাছিমা আক্তারের মা রহিমা বলেন, ‘গত রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নাছিমা আক্তারকে শহরের সেভেন ডে নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। এরপর চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম আমার মেয়ের সিজারিয়ান অপারেশন করেন। ভুল অপারেশনের কারণে মেয়ের প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়। বুধবার দুপুরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম উন্নত চিকিৎসার জন্য নাছিমাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। পথে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় পৌঁছালে রাস্তায় ক্লিনিকের লোকেরা বলে আমার মেয়ে মারা গেছে।’
এদিকে চিকিৎসকের ভুলে প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ তুলে পরিবারের স্বজনরা সেভেন ডে নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানান। এসময় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডা. প্রভাষ কুমার রায়, চিকিৎসক শাহরিয়ারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. প্রভাষ কুমার রায় বলেন, ‘প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে প্রমাণিত হলে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি জানান, নবজাতক শিশুর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত ।
তবে অভিযুক্ত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, ‘এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’