সোমবার (৪ ফেব্রয়ারি) সন্ধ্যায় নীলফামারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বলেছিলেন উত্তর বঙ্গের মানুষের ভাগ্য বদলের জন্য প্রথম তাদের হাতে কাজ দিতে হবে। এরপর কৃষির বিপ্লব ঘটাতে হবে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নীলফামারী সদরে উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত করেন। আজ সেখানে ৩৭ হাজার নারী পুরুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে সেখানে ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। মঙ্গা নামের শব্দটি চিরতরে বিদায় হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কল্যাণে।’
কৃষির উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি জমিতে এখন চার ফসলি আবাদ হচ্ছে। কৃষক আকাশের বৃষ্টির জন্য বসে থাকেন না। বিজ্ঞানের জয়যাত্রায় মানুষ প্রয়োজন মতো পানি, সার, কীটনাশক, উন্নত বীজ ব্যবহার করতে পারছে। এতে করে দেশে কৃষির বিপ্লব ঘটেছে’। তিনি বলেন, ‘সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’
আসাদুজ্জামান নূর আরও বলেন, ‘এই এলাকার কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের জন্য উত্তরা ইপিজেডের পাশে সৈয়দপুরের কাছে অর্থনৈতিক জোন করা হবে। এটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অতি দ্রুত এই জোনের কাজ শুরু করা হবে।’ এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বে শাকসবজিতে তৃতীয়, মৎস্য উৎপাদনে চতুর্থ ও পোশাক খাতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে কৃষির বিকল্প নেই।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে, জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহম্মেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. আবুল কাশেম আযাদ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রউফ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল মাসুদ আলাল প্রমুখ।