পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রহিমা খাতুনদের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত। আগুন লাগার পর শোয়ার ঘর থেকে ৫০ হাজার টাকা বের করতে গেলে তিনি সেখানে দগ্ধ হন। পরে মারা যান। ওই গ্রামের সাতটি পরিবারের ১৫টি ঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পঞ্চগড় ও বোদা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স যৌথভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনার পর জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা, উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম ও আটোয়ারী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ছয় হাজার টাকা, দুই বান্ডিল ঢেউ টিন, ৩০ কেজি করে চাল, শুকনা খাবার ও পাঁচটি করে কম্বল বিতরণ করা হয়। নিহতের পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।