হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। চারদিন বন্ধ থাকার পর ৪ অক্টোবর থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। সেদিন কিছু পেঁয়াজ বিক্রি হলেও অধিকাংশই বিক্রি হয়নি। দাম কম ও ক্রেতা না থাকায় আমদানি করা পেঁয়াজ খালাস করে আমদানিকারকরা নিজ গুদামে নিয়ে আসেন। সেখানে এনে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। আর যেগুলোর মান খারাপ, সেগুলো ফেলে দিচ্ছেন।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পেঁয়াজের অবস্থা খারাপ হওয়ায় আমার ৩০ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। এমন অবস্থা বন্দরের সব আমদানিকারকের। এরপরেও যে পেঁয়াজগুলো ভারতে রয়েছে, সেগুলোর অবস্থা আরও খারাপ। তারপরেও ভারতীয় রফতানিকারকরা আমাদের এসব পেঁয়াজ দিতে চাইছেন। আমরা এসব পেঁয়াজ নেবো না বলে জানিয়ে দিয়েছি।’
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান বলেন, কয়েকদিন ধরে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ছিল। যার কারণে পেঁয়াজগুলো ট্রাকে বাঁধা অবস্থায় ছিল। বৃষ্টির কারণে ত্রিপল যে খুলবে তারও অবস্থা ছিল না। পরে ত্রিপল খোলা মাত্রই পেঁয়াজ দিয়ে পানি ঝরতে শুরু করেছে। পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। পেঁয়াজের কোনও ক্রেতাও নেই। আর এসব পেঁয়াজ ঢাকা চট্টগ্রাম এলাকায় চলবে না। এগুলো রংপুর সৈয়দপুরসহ আঞ্চলিক এলাকাগুলোতে বিক্রি করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাড়ি জায়গা জমি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রেখে পেঁয়াজের এলসি খুলেছিলাম। কিন্তু ভারত সরকার হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা এত ক্ষতিগ্রস্ত যে পথে বসার উপক্রম হয়েছে।’