বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়ন ও নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে নদীটি। যার দুই পাশে প্রায় ১৭টির মতো গ্রামে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বসবাস। তারা লালঘাটে প্রায় ৬০ মিটার দীর্ঘ বাঁশ ও কাঠ দিয়ে একটি বাঁশের সাঁকো বানিয়েছেন।
সাঁকো পারাপারের সময় কথা হয় ভ্যানচালক ছদরুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ভ্যানগাড়ি তুললেই পুরো সাঁকোটা দুলে ওঠে। কখন যে ভেঙে পড়ে এই ভয়ে থাকি। বর্ষাকালে এই সাঁকো অচল থাকে। তাই তখন আয় অনেক কমে যায়।’
মুদি ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, ‘এই পথ দিয়ে রতনপুর হয়ে বিরামপুর এবং ফুলবাড়ি থেকে পণ্য আনতে যান তিনি। তবে বর্ষায় হয় বিপত্তি। পুরো সাঁকো ডুবে যায় পানিতে। তখন প্রায় ২০ কিলোমিটার ঘুরে নবাবগঞ্জ হয়ে বিরামপুর যেতে হয়।’
স্কুলে যাওয়ার জন্য সাঁকো পার হচ্ছিল শিক্ষার্থী তাজুল ইসলাম ও স্মৃতি রানি। স্মৃতি বলে, ‘বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যেতে ভয় লাগে। বর্ষাকালে সাঁকোটি পানিতে ডুবে যাওয়ায় স্কুলে যেতে সমস্যা হয়।’
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য একটি ডিও লেটার দিয়েছেন। এবিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা আশা করি খুব শিগগিরই ডিপিপিতে চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অতএব দ্রুত একটি ব্রিজ হবে। ব্রিজ না হওয়া পর্যন্ত বাঁশের সাঁকোটি রক্ষণাবেক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’