কৃষক সিদ্দিক আলী বলেন, 'করোনার কারণে প্রায় দুই মাস থেকে ঘরবন্দি ও কর্মহীন। প্রতি বিঘা ধান কাটা ও পরিবহন খরচ বাবদ দুই হাজার টাকা লাগে। টাকার অভাবে ধান কাটতে পারছিলাম না। পরে খবর পেয়ে এক বিঘা জমির ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়েছেন কৃষকদলের নেতাকর্মীরা। এতে আমি ও আমার পরিবার অনেক খুশি হয়েছি। তাদের ধন্যবাদ জানায়।'
জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মগনী মাসুদুল আলম দুলাল বলেন, 'বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা অসহায় গরিব কৃষকদের ধান কেটে দিচ্ছি; যাতে কৃষকরা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পান।’
ধান কাটায় অংশ নেন—জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব ওয়ালিউর রহমান হেলাল, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি শেফাউল আলম চৌধুরী লুলু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজ আহমেদ, ইটাখোলা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি দুলু হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা।