তিনি শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে বন্দর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ অঞ্চলে শিল্প সম্ভাবনা ও কৃষিভিত্তিক কলকারখানা গড়ে তোলার সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করতে এ সফর।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর একটি সম্ভাবনাময় স্থলবন্দর। এই বন্দর দিয়ে চারটি দেশের বাণিজ্য চলে। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে একটি অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এখানে উৎপাদিত পণ্য বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে আশেপাশের দেশগুলোতে রফতানি করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা আসবে এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান ঘটবে।
তিনি বলেন, চিনিকলগুলোকে আধুনিকায়ন ও বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করে এগুলোকে লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে কেউ কর্মহীন হবে না, বরং কর্মসংস্থান বাড়বে। চিনিকলগুলো বন্ধ কিংবা শ্রমিক ছাটাই করা হবে না।
তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর লিমিটেড আয়োজিত সভায় জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, আমদানি-রফতানিকারক আবু তোয়বুর রহমান, তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবুল, পঞ্চগড় সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আল তারিক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইয়াছিন আলী মণ্ডল, বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কুদরত ই খুদা মিলন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভায় বক্তারা পঞ্চগড়ে চায়ের নিলাম বাজার ও কাঁচ শিল্পসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানা স্থাপনে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।